Monday, March 23, 2009

মুরগির পোলা

উপকরণ : মুরগি ছয় টুকরা (একটি মুরগির চার টুকরা করা), আদা বাটা চার টেবিল চামচ, রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া এক টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া এক টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, লবণ দুই টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, মিষ্টি দই আধা কাপ। সব দিয়ে মেখে রাখতে হবে আধা ঘন্টা। পেঁয়াজ বাটা দুই কাপ, দারচিনি চার টুকরা, এলাচ পাঁচ থেকে সাত টুকরা, লং ছয়-সাতটা, গোলমরিচ ২০ থেকে ২৫টি, তেজপাতা দুটি, সয়াবিল তেল এক কাপ, বাটার অয়েল আধা কাপ, আলু এক সাইজের ১০টি (দুই ভাগ করা), পোলাওয়ের চাল ছয় পট, লবণ দেড় টেবিল চামচ, পানি ১০ পট (গরম), কাঁচামরিচ ১৫টি (দমে), বেরেস্তা সাজানোর জন্য।

প্রণালী : প্যানে সয়াবিন তেল ও বাটার অয়েল গরম করে মসলার ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ বাটা ভুনে, মাখানো মুরগি দিয়ে ভুনে ঢেকে দিন। সিদ্ধ হয়ে তেলের ওপর উঠলে আলু দিয়ে ভুনে চাল দিয়ে নেড়ে পানি দিয়ে দিতে হবে। বেশি আঁচে চাল আধা সিদ্ধ করে পরে পানি টেনে গেলে ঢাকনা দিয়ে তাওয়ার ওপর দমে দিতে হবে, সঙ্গে কাঁচামরিচ দিয়ে। ফয়েল পেপার দিয়ে মুখটা বন্ধ করে দিতে হবে। পরে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

চিকেন কর্নস্যুপ

উপকরণঃ

  1. চিকেন স্টক ৮ কাপ
  2. মুরগির মাংস কুচি আধা কাপ
  3. বেবি কর্ন কুচি আধা কাপ
  4. ডিম ১টি
  5. লবণ পরিমাণমতো
  6. সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
  7. সাদা সিরকা ১ টে. চামচ
  8. কর্নফ্লাওয়ার ৩ টে. চামচ
  9. স্বাদ লবণ আধা চা চামচ
  10. কর্নফ্লাওয়ার ৩ টে. চামচ
  11. চিনি আধা চা চামচ
  12. মাখন ১ টে. চামচ
  13. সয়াসস ১ টে. চামচ।

প্রণালীঃ

  1. মাখন চুলায় দিয়ে মুরগির মাংস অল্প ভেজে স্টক ঢেলে দিতে হবে।
  2. ১ কাপ স্টক ঠান্ডা কর্নফ্লাওয়ারে গুলিয়ে দিতে হবে।
  3. ডিম বাদে বাকি সব উপকরণ দিতে হবে।
  4. ডিম ফেটিয়ে গরম স্যুপে ঢেলে দিতে হবে।
  5. চিকেন কর্নস্যুপ স্প্রিং রোল বা গারলিক ক্রাউটনের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়

অরেঞ্জ কেক

উপকরণঃ

  1. মাখন - ১৫০ গ্রাম
  2. চিনি - ১৫০ গ্রাম
  3. ডিম - ৩টে
  4. ময়দা - ২০০ গ্রাম
  5. ১ চিমটে লবন
  6. বেকিং পাউডার - দেড় চা চামচ
  7. কমলালেবু - ১টার রস
  8. সামান্য কমলালেবুর খোসা কোরানো দিতে পারেন ইচ্ছে হলে।

প্রণালীঃ

  1. মাখন ও চিনি ভাল করে মেশান।
  2. মেশাতে মেশাতে যখন সাদা এবং হালকা হয়ে যাবে তখন বুঝবেন  যে ফেটানো হয়েছে।
  3. ডিম ৩টে হালকা করে ফেটিয়ে রাখবেন।
  4. এবারে ফেটানো ডিমটা অল্প অল্প করে মাখন- চিনির মিশ্রণে মেশান।
  5. ময়দা, নুন, বেকিং পাউডার একসঙ্গে মেশান। ময়দাটা মেশান হয়ে গেলে  কমলালেবুর রসটা মেশান।
  6. ৭ ইঞ্চি কেকের টিনে মাখন অথবা মার্জারিন মাখিয়ে মিশ্রণটি তাতে ঢেলে  দিন।
  7. এবারে এক ঘন্টার মতো বেক করুন।
  8. খুব গরম ওভেনে দেবেন না।

ফ্রুটস ককটেল

উপকরণঃ তাজা ফল, ছোট ছোট টুকরা আপেল, কলা, আঙ্গুর, আম, পেঁপে, তরমুজ ও পেপে স্কুপার দিয়ে বল বানিয়ে নিতে হবে।
ফলের টুকরো চিল্ড সুগার সিরাপে (লেবুর রস দিয়ে ঠান্ডা করা) রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন। লাল জেলো, হুইপডক্রিম, বরফকুচি প্রয়োজনমতো।

প্রণালীঃ লম্বা গ্লাসে প্রথমে ফ্রুটস ২ টেবিল চামচ, ১ টেবিল চামচ কনডেন্স মিল্ক, বরফকুচি, জেলো, ফ্রুটস, হুইপডক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা।


নোনতা বিস্কুট

প্রণালীঃ

  1. ডালডা বা ঘি - ১ কাপ
  2. চিনি - ১/৪ কাপ
  3. পানি - ১/২ কাপ
  4. লবন - ৩ চা চামচ
  5. এলাচ, ভাজা গুড়া - ৫টি
  6. বেকিং পাউডার - ১ চা চা.
  7. ময়দা - ৪ কাপ
  8. কালজিরা - ১/৪ চা চা.

উপকরণঃ

  1. ওভেনে ২০০ ডিগ্রী সেঃ (৪০০ ডিগ্রী ফাঃ) তাপ দিন।
  2. ডালডা ও চিনি একসঙ্গে ফেট (এক একবারে ১টে. চামচ পানি দিয়ে ফেট/ ডালডার পরিবর্তে ঘি দিলে পানি কম দিবেন)।
  3. ভালভাবে ফেটে  ডালডা হালকা হয়ে উঠলে এলাচ গুঁড়া ও কালজিরা মিশিয়ে দিন।
  4. বেকিং পাউডার দিয়ে মিশান। প্রথমে অর্ধেক ময়দা দিয়ে মাখান। পরে কিছু কিছু ময়দা দিয়ে মাখতে থাকুন। ময়দার তাল শক্ত হলে হাতের তালু দিয়ে ভালোভাবে মাখুন (ময়দার তাল বেশি শক্ত মনে হলে সব ময়দা দিবে না)।
  5. পিড়িতে সামান্য ময়দা ছিটিয়ে ১/২ সে. মি. করে ময়দার তাল বেলে নিন। কাঁটাচামচ দিয়ে কোনাকুনি করে আঁচড় কাট।
  6. ছুরি দিয়ে লম্বায় ২ সে. মি. দূরে দূরে কাটুন। পরে আড়ে ৫ সে. মি. দূরে দূরে কাটুন (নোনতা বিস্কুট গোলাকার টিনের নক্সা দিয়েও কাটতে পারেন)। বেকিং ট্রেতে বিস্কুট সামান্য দূরে দূরে সাজিয়ে রাখুন।
  7. ওভেনে ২০-২৪ মিনিট বেক করুন।

গুড়ের কুকিজ

উপকরণঃ গুড় গ্রেট (ঝুরি করা) করা পৌনে ১ কাপ বা ১ কাপ, পিনাট বাটার আধাকাপ, লেমন রাইন্ড আধা চা চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ, দুধ আধাকাপ, শুকনো নারিকেল আধা কাপ, ভাজা চিনা বাদাম আধাভাঙা আধাকাপ, ময়দা ১ কাপ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, দুধ ডো বানাতে প্রয়োজনমতো।

প্রণালীঃ বাটিতে সব উপকরণ একসঙ্গে মিলিয়ে দুধ দিয়ে (অল্প অল্প) খামির বানাতে হবে। হাতে তেল লাগিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে চেপে দিতে হবে। এভাবে খামির দিয়ে সব বিস্কুট বানিয়ে গ্রিজ করা বেকিং ট্রেতে প্রিহিটেড ওভেনে বেক করতে হবে ২০ মিনিট। কুকিজ ঠান্ডা হলে বয়ামে স্টোর করতে হবে।


ফুচকা

উপকরণঃ ময়দা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো, তালমাখনা ১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, টকদই ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি পরিমাণমতো, সুজি আধাকাপ, লবণ পরিমাণমতো, ডাবলি ছোলা সেদ্ধ পরিমাণমতো, আলু সেদ্ধ ডাবলি ছোলার অর্ধেক।

টক তৈরির প্রণালীঃ তেঁতুলের ক্বাথ ১ কাপ, দই সিকি কাপ, বোম্বাই মরিচ বাটা আধা চা চামচ, এলাচ কয়েকটি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ এবং পরিমাণমতো বিট লবণ দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে।

ফুচকা তৈরির প্রণালীঃ ময়দা, তালমাখনা, টকদই, সুজি, লবণ মেখে শক্ত ডো তৈরি করে এক ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিতে হবে। তারপর রুটি বানিয়ে ছোট করে ধাতব গ্লাসের মুখ দিয়ে ফুচকার আকারে কেটে গরম তেলে ভাজতে হবে।

প্রণালীঃ প্রথমে ডাবলি, আলু, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, তেঁতুলের টক, চটপটির মসলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে। এবার প্রতিটি ফুচকার ওপর একটু ভেঙে ১ চা চামচ করে মিশ্রণ ভরতে হবে। প্লেটের মাঝখানে ছোট বাটিতে টক দিয়ে চারপাশে ফুচকা সাজিয়ে নিন। ওপরে পেঁয়াজ কুচি, শসা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।


চটপটি

উপকরণঃ ডাবলি ছোলা ১ কেজি, কাঁচামরিচ কুচি ১০-১২টি, আলু আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, শসা পরিমাণমতো, জর্দার রং ১ চিমটি, গাজর পরিমাণমতো, ধনেপাতা পরিমাণমতো, ডিম টুকরা করে কাটা, লবণ ও বিট লবণ পরিমাণমতো।

চটপটির মসলার জন্যঃ জিরা, ধনে, লালমরিচ, দারুচিনি, লং, জায়ফল (সামান্য) এবং গোলমরিচ শুকনা খোলায় ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে।

প্রণালীঃ ডাবলি ছোলা আগের রাতে ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে সেদ্ধ করে মাঝামাঝি অবস্থায় জর্দার রং দিয়ে দিতে পারেন, রংটা চকচকে হবে। আলু আলাদাভাবে সেদ্ধ করে বেটে ছোট ছোট দানা করে নিন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, শসা, ধনেপাতা কুচি করে কেটে রাখুন। ডিম পিস করে কেটে রাখুন।

তেঁতুলের চাট তৈরির প্রণালীঃ তেঁতুলের ক্বাথ ২ কাপ, চিনি ১ কাপ মিশিয়ে জ্বাল দিন। চিনি মিশে গেলে জিরা, ধনে, লালমরিচ ভাজা গুঁড়া মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন।

পরিবেশন প্রণালীঃ একটি প্লেটে পরিমাণমতো ডাবলি ছোলা, আলু, চটপটির মসলা, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, তেঁতুলের চাট, বিট লবণ দিয়ে মিশিয়ে দিন। এবার ওপরে শসা, গাজর, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে তার ওপর ডিম টুকরা দিয়ে সাজিয়ে নিন।

ডিম সেমাইর জর্দা

উপকরণ:
ডিম ৮টি, দারচিনি ৪ টুকরা, ঘন দুধ ৪ কাপ, গোলাপজল ২ টেবিল চামচ, সেমাই ১/২ কেজি, জাফরান ইচ্ছা, ঘি ১ কাপ, চিনি ১ কেজি, এলাচ ৮টি, লেমন ইয়েলো কালার ১/৪ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী:
১। ডিম ফেটে দুধ মিশান। গোলাপজলে জাফরান মিশান।
২। সেমাই টুকরা করুন। ঘিয়ে মসলা দিয়ে সেমাই ভাজুন।
৩। সেমাই ভালোভাবে ভাজা হলে মিশানো দুধ-ডিম দিন। জ্বাল কমিয়ে ধীরে ধীরে সেমাই নিচের থেকে উপরে তুলে নাড়তে হবে। দুধ ডিমের মিশ্রণে সেমাই মিশে সামান্য নরম হলে অল্প পানিতে গুলানো রং দিন। কিসমিস দিন। নেড়েচেড়ে ঢাকানা দিয়ে মৃদু জ্বালে ১৫-২০ মিনিট দমে রাখুন।
৪। সেমাই সিদ্ধ হলে চিনি দু তিনবার দিয়ে নাড়ুন। চিনি মিশে গেলে মৃদু আঁচে দমে রাখুন। সেমাই ঝরঝরে হলে নামান।

ঝাল-মিষ্টি ফলের সালাদ

উপকরণ : আনারস কিউব দুই কাপ, আপেল কিউব দুই কাপ, একটি কলার কিউব, টমেটো কিউব এক কাপ, ধনেপাতা এক টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি এক টেবিল চামচ (বিচি ফেলে), গোলমরিচ গুঁড়া এক টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, পানি ঝরানো দই দুই কাপ, লেবুর রস দুই টেবিল চামচ।

প্রণালী : বড় বোলে দই, লেবুর রস, চিনি, লবণ, গোলমরিচ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা দিয়ে ফেটে নিয়ে সব ফল মিলিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

কাঁচা আমের সালাদ

উপকরণ : আঙুর ১২০ গ্রাম, পানি ২৬০ মিলিলিটার, টমেটো জুস ২০ মিলিলিটার, চিনি পাঁচ চা চামচ, বরফ চার টুকরো, বিট লবণ পরিমাণমতো, গোলমরিচের গুঁড়া ও জাফরানি পরিমাণমতো।

প্রণালী : ওপরের সব উপকরণ মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন এবং একটি ছাঁকনি দিয়ে ভালো করে ছেঁকে নিন। এখন এই শরবত সুদৃশ্য গ্লাসে সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

আঙুরের ঝাল-টক শরবত

উপকরণ : আঙুর ১২০ গ্রাম, পানি ২৬০ মিলিলিটার, টমেটো জুস ২০ মিলিলিটার, চিনি পাঁচ চা চামচ, বরফ চার টুকরো, বিট লবণ পরিমাণমতো, গোলমরিচের গুঁড়া ও জাফরানি পরিমাণমতো।

প্রণালী : ওপরের সব উপকরণ মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন এবং একটি ছাঁকনি দিয়ে ভালো করে ছেঁকে নিন। এখন এই শরবত সুদৃশ্য গ্লাসে সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

লেবুর আচার

উপকরণঃ লেবু ২০টি ধুয়ে নরম কাপড়ে মুছে নিতে হবে। লবণ ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ (টেলে গুঁড়া করা), মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, সরিষার তেল ২ কাপ।

প্রণালীঃ লেবু লম্বায় ৮ টুকরা করে কেটে বড় বোলে নিয়ে ওপরে লবণ ছড়িয়ে রাখতে হবে। এবার পাঁচফোড়ন, মরিচ ও হলুদ দিয়ে লেবু মাখিয়ে (তেলসহ) পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে ১০/১২ দিন রোদ লাগাতে হবে। লেবু নরম হলে বোতলে ভরে রাখতে হবে

সরিষা ইলিশ

সরিষা ইলিশ

উপকরণ: ইলিশ মাছ একটি, সরিষা বাটা, টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ফালি কয়েক টুকরা, লবণ পরিমাণ মতো, হলুদ বাটা ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, ধনে পাতা এক আটি।

প্রস্তুত প্রণালী: ইলিশ মাছ ফালি করে লবণ দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। মাথা ও লেজ বাদ দিয়ে মাছের খণ্ডগুলো অর্ধেক লবণ হলুদ দিয়ে মাখিয়ে নিন। চুলার কড়াইতে তেল দিয়ে কাঁটা পেঁয়াজগুলো দিয়ে ৩ মিনিট নেড়ে বাটা সরিষা, হলুদ মরিচ বাটা ও লবণ দিয়ে আরো ২ মিনিট কষিয়ে নিন। এবার মাছের ফালি গুলো দিয়ে ৮ মিনিট রান্না করলেই তৈরি হবে সুস্বাদু সরষে ইলিশ। সাদা ভাত, খিচুরী, পোলাও ও যেকোন কোপ্তার সাথেই বেশ ভাল যায় ডিসটি।

গলদা চিংড়ি পোলাও

যা যা লাগবে : পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, নারকেলের দুধ (গরম) ১৫০০ গ্রাম, বেরেস্তা পরিমাণমতো, ঘি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গলদা চিংড়ি ৮টি, বিরিয়ানি মসলা ১ চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, এলাচ ২টি, দারুচিনি ২টি, লবঙ্গ ২টি।

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথম পর্যায়
পোলাওয়ের চাল ভালোমতো ধুয়ে নিন। এরপর পরিষ্কার কাপড়ে রেখে বা পানি ঝরিয়ে নিন। গলদা চিংড়িগুলো ভালোমতো ধুয়ে একটি বাটিতে রাখুন।
দ্বিতীয় পর্যায়
চুলাতে কড়াই বসিয়ে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টক দই, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ ও লবণ দিয়ে ভালোমতো গলদা চিংড়িসহ পোলাও এর চাল মেশান।
তৃতীয় পর্যায়
৫ মিনিটের জন্য ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দেখুন মাখা মাখা হলে গরম অবস্থাতে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।